সীবলী গাথা বা সীবলী পরিত্রাণ হলো বৌদ্ধ ধর্মে লাভ, উন্নতি এবং সৌভাগ্য কামনায় পঠিত একটি পবিত্র গাথা, যা মহালাভী স্থবির সীবলীকে নিবেদন করে পাঠ করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই গাথা পাঠ বা শ্রবণ করলে অভাব দূর হয়, পারিবারিক সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় এবং নানা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় [৩.
মূল(পালি সীবলী গাথা ):
সীবলীযং মহাথেরং, লাভীনং সেট্টমং গতো
মহন্তং পুঞ্ঞাবন্তং তং, অভিবন্দামি সব্বদা।।ইতিপি সো সব্বলাভীনং, সীবলী অরহং তম্হং।
ভগবন্তং সধম্মং সসঙ্ঘং, ইমেহি আহারেহি, ইমেহি নানা বিধেহি,
ফলমূলেহি, ইমেহি পূপ্ফেহি, ইমেহি পদীপেহি,
উদকেহি, সুগন্ধেহি, মধুহি, লাজেহি, তাম্বুলেহি,
নানাবিধেহি, অগ্গরসেহি, পূজোপচারেহি।। [৩]
বাংলা অনুবাদ:
"লাভীশ্রেষ্ঠ, মহান পুণ্যবান মহাস্থবির সীবলীকে আমি সর্বদা অভিবাদন জানাই। যিনি সর্ব লাভীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, সেই সীবলী অরহৎ-এর উদ্দেশ্যে আমি নানা প্রকার আহার, ফল-মূল, ফুল, প্রদীপ, জল, সুগন্ধ, মধু, লাজ (খৈ), তাম্বুল (পান) এবং অন্যান্য পূজার উপকরণ নিবেদন করছি" [৩]।
সীবলী গাথা পাঠের উপকারিতা:
- লাভ ও সৌভাগ্য: ব্যবসার উন্নতি এবং সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বিশেষ কার্যকরী বলে গণ্য করা হয় [৩]।
- নিরাপত্তা: যাবতীয় বিপদাপদ ও রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় [৩]।
- শ্রদ্ধা ও ভক্তি: বুদ্ধের প্রিয় শিষ্য সীবলীর গুণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অন্তরে শান্তি আসে [৩]।
পূজার নিয়ম:
সাধারণত বুদ্ধ পূজার সাথে সাথে সীবলীর ছবি বা মূর্তির সামনে মোমবাতি, ধূপ, ফুল, মধু এবং নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার (ফলমূল) নিবেদন করে এই গাথা পাঠ করা হয় |
সাধারণত বুদ্ধ পূজার সাথে সাথে সীবলীর ছবি বা মূর্তির সামনে মোমবাতি, ধূপ, ফুল, মধু এবং নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার (ফলমূল) নিবেদন করে এই গাথা পাঠ করা হয় |
0 Comments