সকাল সন্ধ্যা প্রতিদিন বন্দনা করিলে মানুষের জীবনে উপকারিতা ও চিত্তের কিভাবে উৎকর্ষ সাধিত হয় জেনে নিন।
১। লোভ মুক্ত থাকা যায় ।
২। মানসিক প্রীতি আনন্দ থাকা যায় ।
৩। আত্মবিশ্বাস বাড়ে ।
৪। স্মরণ শক্তি বাড়ে ।
৫। দক্ষতা অর্জন করতে পারে ।
৬। সিংহের মত নির্ভয়ে বিচরণ করা যায় ।
৭। দেবতা, মনুষ্য ,অনুষ্য যক্ষ, কিন্নর ,নাগ দৃশ্য অদৃশ্য প্রাণী মাত্র মৈত্রীপূর্ণ চিত্তে থাকে ।
৮। শীল সমাধি প্রজ্ঞার শ্রীবৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং অনিত্য জ্ঞান বর্ধিত হবে ।
৯। মান সম্মান যশ কীর্তি ঐশ্বর্য লাভ করা যাবে ।
১০। মৈত্রী করুনা মুদিতা উপেক্ষা শ্রীবৃদ্ধি হবে হৃদে ।
১১। জ্ঞাতী গণের উপকার হবে ।
১২। আশা আকাঙ্খা পূর্ণ হবে ।
১৩। সুস্বপ্ন দর্শন হবে যা ভবিষ্যতে সত্য হবে ।
১৪। কাম ক্রোধ লোভ মোহ ক্ষয় হবে ।
১৫। বিচিকিৎসা থেকে মুক্ত থাকা যায় ।
১৬। মাতা পিতা গুরুজনের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা বাড়িবে।
১৭। কল্যাণ মিত্র আশ্রয় গ্রহণ করিবে ।
১৮। অভাব দুরিভূত হবে, দাতাগণের থেকে প্রতিদিন দান আসিবে ।
১৯। শৃঙ্খলা পদ্ধতি জীবন যাপন এবং চরিত্র গঠন হবে শান্তির মানসিকতায় আনন্দে দিন কেটে যাবে।
২০। পাপ কর্ম থেকে বিরত থাকা যায় এবং পূন্য কর্ম পূর্ণিমা সম বর্ধিত হবে ।
২১। অবিদ্যা নাশ হবে প্রজ্ঞা উৎপন্ন হবে ।
২২। সকল বাধা বিপত্তি নাশ হবে ।
২৩। চার আর্য্যসত্য সম্যক ভাবে জ্ঞাত হওয়া যাবে ।
২৪। আর্য্য অষ্টাঙ্গীক মার্গে জীবনের গতি বাড়িবে ।
২৫। লাভ অলাভ নিন্দা প্রশংসা সত্য মিথ্যায় চিত্ত কম্পিত হবে না ।
২৬। ত্রিরত্নের উত্তরাধিকার যোগ্যতা অর্জন করিবে ।
২৭। ক্ষমাগুণ চিত্তে বর্ধিত হবে ।
২৮। ধ্যান সাধনা করার সময় শরীরের উদয় ব্যায় জ্ঞান ক্ষমতা বাড়িবে ।
২৯। অল্পতে সন্তুষ্ট থাকিবে ।
৩০। ক্রোধ হীন হয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে পারে।
৩১। সুখে মৃত্যু হবে, মৃত্যুর পর চারিঅপায় গমন হবে না ।
৩২। মনুষ্য লোকে জন্ম গ্রহণ করিলে উচ্চ কুলে জ্ঞানী হয়ে , দেব ব্রহ্মলোক জন্ম গ্রহণ করিবে ।
৩৩। জাতি বর্ণ ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই ভালো বাসিবে এবং সকলের প্রিয় পাত্র হবে ।
প্রতিদিন একসাথে সকাল বিকাল মাতা পিতা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন সমবেত বন্দনা করিলে ছেলে মেয়েদের চঞ্চলতা দুর হবে ।
পরিবারে অশান্তি দুর হবে ঘরে আসিবে অনাবিল সুখ শান্তি সমৃদ্ধি হবে সমৃদ্ধি হবে ধন সম্পদ মান সম্মান যশ কীর্তি ঐশ্বর্য ।
সকাল বিকাল বুদ্ধ বন্দনা বৌদ্ধদের জন্য খুবই মহত্ত্ব পূর্ণ ।
অন্তিমে নির্বানের সম্পদের উত্তরাধিকার হওয়া যায় ।আপনার সন্তানকে নিয়মিত বিহারে পাঠান ও সকাল সন্ধ্যা বন্দনা নিশ্চিত করুণ।

0 Comments