Hot Posts

6/recent/ticker-posts

Ad Code

পূজনীয় সাধনানন্দ মহাথের বনভান্তের উপদেশ

পূজনীয় সাধনানন্দ মহাথের বনভান্তের উপদেশ 
****************************** **********
প্রস্তুত হও! অন্ধকারে আলো জ্বালাও! বুকে অসীম সাহস নিয়ে এগিয়ে চলো! আপদ-বিপদ নানাবিধ ভয় আসুক, তবুও সামনের দিকে এগিয়ে যাও। তোমাদের দুর্বলতা দূরে ফেলে দাও। তোমাদের শ্রদ্ধারূপ শক্তিশালী অস্ত্র নিয়ে মারের দিকে এগিয়ে যাও। মনে রাখবে—পথ চলতে সুখ অনুভব করলে আনন্দে ডুবে যেও না। দুঃখে পড়লে গর্তে পতিত হয়েছি মনে করো না। নিন্দাতে ফিরে তাকাবে না। প্রশংসাতে স্ফীত হইওনা। যশে আকাশে উঠো না। অযশে পাতালে পড়ো না। লাভে নাচিও না। অলাভে কাঁদিও না। এই আট-প্রকার বাঁধা অতিক্রম করে মারের রাজ্য জয় করে আস। অনেক রাস্তা আছে তারমধ্যে শুধু একটি রাস্তাই সঠিক, সেটি হলো—আর্য-অষ্টাঙ্গিক মার্গ।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-২

জাতিভেদ করলে বৌদ্ধধর্ম আচরণ করা যাবে না। ‘আমি চাকমা’, ‘আমি বড়ুয়া’, ‘আমি মারমা’, ‘আমি আমেরিকান’, ‘আমি থাই’ এসব বললে বৌদ্ধধর্ম আচরণ করতে পারবে না। কেন পারবে না? কারণ জাতিভেদ করলে চিত্তে অজ্ঞানতা থাকে। চিত্তে অজ্ঞানতা থাকলে দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। মনে রাখবে, বৌদ্ধধর্মে কোনো জাতিভেদ নেই। এ ধর্মের মতে ‘আমি চাকমা’ বলা যায় না, ‘আমি বড়ুয়া’ বলা যায় না, ‘আমি মারমা’ বলা যায় না। তোমরা যদি সেসব বল, তাহলে সেটা বৌদ্ধধর্ম হবে না; প্রকৃত বৌদ্ধের কথা হবে না। ভগবান বুদ্ধ জাতিভেদের বিরোধী। তিনি তাঁর প্রচারিত ধর্মে জাতিভেদকে স্থান দেননি। জাতিভেদকে তিনি অনর্থক, ভ্রান্ত ও অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৩

ভগবান বুদ্ধ ভিক্ষু-শ্রামণকে জাতিবাদ, গোত্রবাদ, মানবাদ, আবাহ-বিবাহ হতে বিরত থাকতে বলেছেন। জাতিবাদ, গোত্রবাদ, মানবাদ, আবাহ-বিবাহ এই চার বিষয়ে সম্পর্ক না রাখলে জ্ঞান উদয় হয়। কিন্তু সেই চার বিষয়ে সম্পর্ক রাখলে জ্ঞান উদয় হয় না। ভিক্ষু-শ্রামণেরা আমি ‘অমুক জাতি’, ‘সমুক জাতি’ বলতে পারে না। যে কোনো জাতি দাবী করলেই দুঃখ পেতে হয়। বনভান্তের জাতি চেতনা নেই। তাই বনভান্তের দুঃখও নেই। আমি দেখছি, বর্তমান ভিক্ষুরা ‘আমি অমুক জাতি’ হিসাবে দাবী করে। চাকমা ভিক্ষুরা বলে ‘আমরা চাকমা ভিক্ষু’; বড়ুয়া ভিক্ষুরা বলে ‘আমরা বড়ুয়া ভিক্ষু’; মারমা ভিক্ষুরা বলে ‘আমরা মারমা ভিক্ষু’। বনভান্তে কিন্তু কখনো ‘আমি চাকমা ভিক্ষু’ বলে না। বুদ্ধের সময়ে ক্ষত্রিয়, ব্রাহ্মণ, বৈশ্য, শুদ্র এই চার জাতীয় লোক প্রব্রজিত হয়ে সবাই শাক্যপুত্র নামে পরিচিত হতো।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৪

আমি বৌদ্ধধর্ম গবেষণা করে দেখেছি। এ ধর্মে সুখ করা চলবে না, ভোগ করা চলবে না, অহংকার করা চলবে না। তোমরা যদি সুখ কর, তাহলে দুঃখ পাবে। ভোগ করলেও দুঃখ পাবে; অহংকার করলেও দুঃখ পাবে। বৌদ্ধ ধর্মে সুখ করা যায় না, ভোগ করা যায় না, অহংকার করা যায় না। কিন্তু অন্যান্য ধর্মে সুখ ভোগ, অহংকার করার নজির রয়েছে। যারা বৌদ্ধধর্মের শিক্ষা অনুসারে সুখ ভোগ ও অহংকার করবে না তারা দুঃখ থেকে মুক্ত হতে পারবে। আমি বনভান্তে নিজে নিজে বলেছিলাম, আমি সুখ করবো না, ভোগ করবো না, অহংকার করবো না। এবং আমি তাতে সফলকাম হয়েছি। তোমাদেরও সেভাবে-ই নিজে নিজে সুখ ভোগ ও অহংকার ত্যাগ করতে হবে। নিজে নিজে সেসব ত্যাগ না করলে অন্যের কথায় পরিত্যক্ত হবে না। সুখ ভোগ ও অহংকার ত্যাগ করাটা নিজে নিজে করতে হবে। নিজে ত্যাগ না করে কেবল বই পড়লে, অন্যের মুখে শুনলে চলবে না। নিজে উদ্যোগী হয়ে সুখ ভোগ ও অহংকার করা ত্যাগ করতে হয়। অর্থাৎ আমি সুখ করবো না, ভোগ করবো না, অহংকার করবো না, এভাবে-ই সংকল্পবদ্ধ হতে হবে। যারা এই পথে চলবে, তারা সুখ ভোগ, অহংকার ত্যাগ করতে পারবে।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৫

বুদ্ধ বলেছেন—সুখ ভোগ করলে কিছুতেই দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। সুখ ভোগ না করলে তবেই দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। কাজেই তোমরা সুখ ভোগ করা হতে বিরত থাকবে। বৌদ্ধ ধর্মে অহংকার করা যায় না। অহংকার প্রধানত তিন প্রকার। সেই তিন প্রকার অহংকার হলো—নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা, নিজেকে সদৃশ মনে করা, নিজেকে হীন মনে করা। ভগবান বুদ্ধ নিজেকে শ্রেষ্ঠ, সদৃশ ও হীন না বলতে উপদেশ দিয়েছেন। কারণ তোমরা যদি নিজেকে শ্রেষ্ঠ বল, তাহলে দুঃখ পাবে। সদৃশ বললেও দুঃখ পাবে; হীন বললেও দুঃখ পাবে। আমি শ্রেষ্ঠ, সদৃশ, হীন—এই তিন প্রকার অহংকার বিহীন অবস্থাকে বলা হয় নির্বাণ। নির্বাণলাভীরা আমি শ্রেষ্ঠও বলেন না, আমি সদৃশও বলেন না, আমি হীনও বলেন না। আমি শ্রেষ্ঠ বললেও দুঃখ পেতে হয়, আমি সদৃশ বললেও দুঃখ পেতে হয়, আমি হীন বললেও দুঃখ পেতে হয়। নির্বাণলাভীরা সেসব কিছুই না বলে তাঁরা পরম সুখে অবস্থান করেন। তোমরাও যদি আমি শ্রেষ্ঠ, সদৃশ, হীন না বল, তাহলে নির্বাণ লাভ করত পরম সুখে অবস্থান করতে পারবে।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৬

অহংকার সর্বমোট নয় প্রকার। যথা (১) অমি শ্রেষ্ঠের শ্রেষ্ঠ, (২) আমি শ্রেষ্ঠের সদৃশ, (৩) আমি শ্রেষ্ঠ, অপেক্ষা হীন, (৪) আমি সদৃশের শ্রেষ্ঠ, (৫) আমি সদৃশের সদৃশ, (৬) আমি সদৃশ অপেক্ষা হীন, (৭) আমি অধমের উত্তম, (৮) আমি অধমের সদৃশ, (৯) আমি অধম অপেক্ষা অধম। এই ৯ প্রকার অহংকার ধ্বংস করলে, ১০৮ প্রকার তৃষ্ণা ক্ষয় করলে, ৬২ প্রকার মিথ্যাদৃষ্টি ছিন্ন করলে দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়া যায়, অর্হত্ত্ব লাভ করা যায়। ৯ প্রকার অহংকার থাকলে দুঃখ পেতে হয়, ১০৮ প্রকার তৃষ্ণা থাকলে দুঃখ পেতে হয়, ৬২ প্রকার মিথ্যাদৃষ্টি থাকলে দুঃখ পেতে হয়। সে অবস্থায় কিছুতেই দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়া যায় না, অর্হত্ত্ব লাভ করা যায় না। অর্হত্ত্ব লাভ হলে ৯ প্রকার অহংকার, ১০৮ প্রকার তৃষ্ণা, ৬২ প্রকার মিথ্যাদৃষ্টি থাকে না। তাই অর্হৎগণ পরম সুখে অবস্থান করেন। বর্তমানে তোমরা কেন দুঃখ পাচ্ছো জান? ৯ প্রকার অহংকারের কারণে, ১০৮ প্রকার তৃষ্ণার কারণে, ৬২ প্রকার মিথ্যাদৃষ্টির কারণে দুঃখ পাচ্ছো। বুঝতে পারছ তো? সেই দুঃখ থেকে মুক্ত হতে চাইলে তোমাদের সামনে একটি মাত্র পথ রয়েছে। পথটি হলো ৯ প্রকার অহংকার ধ্বংস করা, ১০৮ প্রকার তৃষ্ণা ধ্বংস করা, ৬২ প্রকার মিথ্যাদৃষ্টি ছিন্ন করা।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৭

চিত্তের মধ্যে অজ্ঞানতা, তৃষ্ণা, উপাদান থাকলে মানুষ ‘আমি আমেরিকা যাবো’ ‘আমি কানাডা যাবো’, ‘আমি অস্ট্রেলিয়া যাবো’, ‘আমি লন্ডন যাবো’ বলে বলে নানা দেশে পাড়ি দেয়। অজ্ঞানতা, তৃষ্ণা, উপাদানের কারণে তারা সেসব দেশে পাড়ি জমানোকে সুখ মনে করে। যাদের চিত্তে অজ্ঞানতা, তৃষ্ণা, উপাদান নেই তারা কী আর অন্য দেশে পাড়ি দেবে? কিছুতেই পাড়ি দেবে না। তারা নির্বাণরাজ্যে অবস্থান করবে পরম সুখে। নির্বাণ অতি উত্তম, অতি শ্রেষ্ঠ। বুদ্ধ বলেছেন—হে ভিক্ষুগণ! তোমরা উত্তম থেকে উত্তম, শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠ হও। অর্থাৎ যদি বলা হয় যে, ‘অমুক উত্তম’, তোমরা তার চেয়ে উত্তম হবে; এবং ‘অমুক শ্রেষ্ঠ’, তোমরা তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হবে।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৮

নির্বাণসুখ লাভ হয় বিনামূল্যে। এ সুখ লাভের জন্য কোনো মূল্য দিতে হয় না। তোমরা বিনামূল্যের সুখ করবে, নাকি দামি সুখ করবে? যদি বল ‘আমরা দামি সুখ করব না, বিনামূল্যের সুখ করব’, তাহলে তোমাদের নির্বাণসুখ করতে হবে। নির্বাণসুখই একমাত্র বিনামূল্যে লাভ হয়। তোমরা বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-কন্যা নিয়ে যেই গৃহী সুখ করছ, সেটা দামি সুখ। সেখানে সবকিছু আকাশছোঁয়া দাম। ভগবান বুদ্ধ যে ‘নির্বাণসুখ বিনামূল্যে’ বলেছেন, সেটা আমি প্রমাণ করেছি। তাই আমিও দৃপ্তকণ্ঠে বলছি, নির্বাণসুখ বিনামূল্যেই লাভ হয়। নির্বাণসুখ সস্তাও নয়, একেবারে বিনামূল্যে। সস্তা হলেও তো কিছু দাম দিতে হয়। কিন্তু নির্বাণ সুখে কোনো দাম দিতে হয় না। তোমরা সবাই বিনামূল্যের নির্বাণসুখ লাভে সচেষ্ট থাকো।

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-৯

বৌদ্ধধর্মের আসল লক্ষ্য হলো, যাবতীয় দুঃখ থেকে মুক্ত হওত নির্বাণ লাভ করা। কীভাবে নির্বাণ লাভ হয়? সুখ না করলে, ভোগ না করলে এবং অহংকার না করলে নির্বাণ লাভ হয়। মনে রাখবে, সুখ করলে, ভোগ করলে ও অহংকার করলে নির্বাণ লাভ হয় না। এ পৃথিবীতে তোমরা ক’টা দিন থাকবে? নিতান্তই কিছুদিন মাত্র। খুব অল্প দিনের মধ্যে এখান থেকে বিদায় নিতে হবে। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যেতে হবে মৃত্যুর পরপারে। কাজেই এখানে সুখ ভোগ, অহংকার করার কী-ই বা রয়েছে। কিন্তু অজ্ঞানী সেসব বুঝে না। তোমরা এই নশ্বরতা চিন্তা করেই সুখ ভোগ, অহংকার পরিত্যাগ কর। যদি পরিত্যাগ করতে পার, তাহলে নির্বাণ লাভে সক্ষম হবে। পারবে কি? বৌদ্ধ ধর্মে ভোগ করা যায় না, ত্যাগই করতে হয়। এ ধর্মে বলা হয়েছে—ত্যাগেই সুখ, ত্যাগেই মহিমা। ভোগই দুঃখের মূল, ভোগই দোষপূর্ণ। ভগবান বুদ্ধের প্রতিটি দেশনা ত্যাগের আদর্শে পরিপূর্ণ, ভোগ বিরোধী। বুদ্ধের এসব দেশনা হৃদয়ে গেঁথে রেখে তোমরা ভোগ ত্যাগ কর। যদি ত্যাগ করতে পার, তাহলে আর দুঃখ পাবে না। মনে রাখবে, বৌদ্ধ ধর্মে সুখ করা যায় না, ভোগ করা যায় না। তোমরা সুখ ভোগ না করে থাকতে পারবে কি? আমি বলছি, তোমরা যদি সুখ ভোগ ও অহংকার না করে থাকতে পার তাহলে দুঃখ থেকে মুক্ত হতে পারবে, নির্বাণ লাভ করতে পারবে। নির্বাণলাভী হলে বিনামূল্যে সুখ অর্জিত হবে। কারণ নির্বাণসুখ লাভ হয় বিনামূল্যে। নির্বাণসুখ কীভাবে লাভ হয়? বিনামূল্যে। তোমাদের বিনামূল্যে নির্বাণসুখ লাভের ইচ্ছে হয় কি? এ সুখ করতে চাইলে তোমাদের সংসার ত্যাগ, গৃহ ত্যাগ করতে হবে। ভগবান বুদ্ধ গৃহত্যাগ ও পুরো একত্রিশ ভব বা সংসার ত্যাগের মাধ্যমে এ সুখের সন্ধান পেয়েছেন। কাজেই তোমরাও যদি নির্বাণসুখ পেতে চাও গৃহত্যাগ, সংসার ত্যাগ করতে হবে। পারবে কি, গৃহত্যাগ ও সংসার ত্যাগ করতে?

— পূজ্য বনভান্তে।

উপদেশ-১০

ভগবান বুদ্ধ বলেছেন, ‘আত্মা’ মরলে, ‘আমি মানুষ’ এ ধারণা মরলে, মার মরলে যাবতীয় দুঃখ থেকে চিরমুক্তি ঘটে। কিন্তু বর্তমানে তোমাদের তো আত্মা (ধারণা) রয়েছে, আমি মানুষ এ ধারণা রয়েছে, মার রয়েছে। আর তজ্জন্যই তোমরা দুঃখ পাচ্ছ। আমার এতো বছরের বৌদ্ধধর্ম গবেষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত—আত্মা মরে যাওয়া, আমি মানুষ এ ধারণা মরে যাওয়া, মার মরে যাওয়া-ই বৌদ্ধধর্ম। বৌদ্ধধর্ম অনুশীলন করলে আত্মা মরে যায়, আমি মানুষ এ ধারণা মরে যায়, মার মরে যায়। সে অবস্থায় যাবতীয় দুঃখের পরিসমাপ্তি ঘটে। কিছুতেই আর দুঃখ উৎপত্তি হতে পারে না। তোমরা আত্মা ও মানুষ ধারণা নিয়ে অবস্থান করছ বলে দুঃখ পাচ্ছো। মারও তোমাদের চিত্তে প্রবিষ্ট হতে সুযোগ পাচ্ছে। আর মার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পাপকর্ম সম্পাদন করতে হচ্ছে তোমাদের। ফলে দুঃখের তীব্রতা আরও বহুগুণে বেড়ে যাচ্ছে। আমি এসব অনুমান করে বলছি না। সবকিছু দেখে, যথাযথ বুঝে তোমাদের বলে দিচ্ছি। তোমরা অনেকে-ই মনে করছ, আমেরিকায় যেতে পারলে সুখ পাবে। আমেরিকানরা সুখে রয়েছে। তোমাদের সে ধারণা ভুল, সঠিক নয়। দুনিয়ার মানুষ সবাই দুঃখ পাচ্ছে। বুঝতে পারছ তো!
https://drive.google.com/uc?export=view&id=1XiDBVGrZJ5SGbe14Pc8SSsOdniOHxb3u
— পূজ্য বনভান্তে।

Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement