1. “চিন্তার প্রতিফলন ঘটে স্বভাব বা প্রকৃতিতে। যদি কেউ মন্দ অভিপ্রায় নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে দুঃখ তাকে অনুগমন করে। আর কেউ যদি সুচিন্তা নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে সুখ তাকে ছায়ার মত অনুসরন করে।” – গৌতম বুদ্ধ

2. “নিষ্ক্রিয়তা হচ্ছে মৃত্যুর একটা ছোট রাস্তা। কঠোর পরিশ্রমই ভালো জীবনের রাস্তা হয়ে থাকে। নির্বোধ মানুষরা নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকে এবং বুদ্ধিমান মানুষরা কঠোর পরিশ্রমী হয়।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “তোমার কাছে যা কিছু আছে, সেগুলোকে কখনোই অন্যের কাছে বাড়িয়ে বলো না, আর অন্যকে দেখে ঈর্ষাও করো না। যে অন্যদের দেখে ঈর্ষা করে, সে কখনোই মানসিকভাবে শান্তি পাবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

4. “যেকোনো অবস্থাতেই এই তিনটে জিনিসকে লোকানো কখনই সম্ভব নয়, সেটা হলো- সূর্য, চন্দ্র এবং সত্য।” – গৌতম বুদ্ধ

“একটা প্রদীপের মাধ্যমে হাজারটা প্রদীপকে জ্বালানো যেতে পারে, কিন্ত তাতে সেই প্রদীপের আলো কখনও কমে যায় না। ঠিক তেমনই সুখ ভাগ করে নিলে কখনও তা কমে না।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “চলে যাওয়া সময় কখনই ফিরে আসবে না। আমরা অনেকসময় এটা ভাবি যে, আজ যেই কাজটা হচ্ছেনা সেটা কাল হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে যেই সময় একবার চলে যায় সেটা আর কোনো দিনও আসবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

6. “তোমাকে তোমার রাগের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে না বরং তুমি তোমার রাগের দ্বারাই শাস্তি পাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

7. “আমরা যখন কথা বলি, তখন সেইসময় আমাদের শব্দ গুলোকে ভালোভাবে নির্বাচন করা উচিত। কারণ এরফলে শ্রোতার উপর ভালো কিংবা খারাপ প্রভাব পরতে পারে।” – গৌতম বুদ্ধ

8. “শান্তি মনের ভীতর থেকে আসে, তাই সেটা ছাড়া শান্তির অনুসন্ধান করো না।” – গৌতম বুদ্ধ

9. “পবিত্রতা কিংবা অপবিত্রতা নিজের উপর নির্ভর করে। কেউ অন্য কাউকে পবিত্র করতে পারে না।” – গৌতম বুদ্ধ

10. “যিনি অস্থিরচিত্ত, যিনি সত্যধর্ম অবগত নন, যার মানসিক প্রসন্নতা নেই, তিনি কখনো প্রাজ্ঞ হতে পারেন না।” – গৌতম বুদ্ধ

11. “আলস্য ও অতিভোজের দরুন স্থূলকায় নিদ্রালু হয়ে বিছানায় গড়াগড়ি দেয়া স্বভাবে পরিণত হলে সেই মূর্খের জীবনে দুঃখের পুনঃ-পুনরাবৃত্তি ঘটবে।” – গৌতম বুদ্ধ

12. “হাজারও শব্দের থেকে ভালো সেই শব্দ, যেটা শান্তি নিয়ে আসে।” – গৌতম বুদ্ধ

13. “মন ধর্মের পূর্বগামী, মনই শ্রেষ্ঠ, সকলই মনোময়।” – গৌতম বুদ্ধ

“যিনি যতো অধিক ভাষণ করুন না কেন তাতে তিনি ধর্মধর হতে পারেন না। যিনি অল্পমাত্র ধর্মকথা শুনে নিজের জীবনে তা আচরণ করেন এবং ধর্মে অপ্রমত্ত থাকেন তিনিই প্রকৃত ধর্মধর।” – গৌতম বুদ্ধ

14. “ধৈর্য হলো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। মনে রাখবে, একটা কলসি বিন্দু বিন্দু জলের দ্বারা ভর্তি হয়।” – গৌতম বুদ্ধ

15. “প্রত্যেক মানুষ, তার স্বাস্থ্যের কিংবা রোগের সৃষ্টিকর্তা হয়ে থাকে।” – গৌতম বুদ্ধ

16. “চাঁদের মতোই মেঘের আড়াল থেকে বেরোও এবং প্রকাশিত হয়ে ওঠো।” – গৌতম বুদ্ধ

17. “তুমি মুখে কি বলছো সেটি কোনো বিষয় নয়। বিষয় হলো তোমার কাজ।” – গৌতম বুদ্ধ

18. “আমরা প্রত্যেকেই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একজন আরেকজনের পরিপূরক। অর্থাৎ সমাজে আমরা কেউ একা নয়।” – গৌতম বুদ্ধ

19. “অজ্ঞ মানুষ একটি গরুর মতো। সে জ্ঞানে নয়, আকারে বেড়ে ওঠে।” – গৌতম বুদ্ধ

20. “পা তখনই অন্য পা-কে অনুভব করে, যখন সেটা মাটিকে ছোঁয়।” – গৌতম বুদ্ধ

21. “নিশ্চিতভাবে যে ব্যক্তি বিরক্তিপূর্ণ চিন্তার থেকে মুক্ত থাকে, সেই শান্তি পেয়ে থাকে।” – গৌতম বুদ্ধ

“রেগে যাওয়া, কোনো জলন্ত কয়লাকে অন্যের গায়ে ছোঁড়ার জন্য সেটাকে ধরে থাকার মতোই সমান হয়ে থাকে। এটা সবার প্রথমে তোমাকে জ্বালাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

22. “জগতে মাতা ও পিতার সেবা সুখকর। শ্রমণ ও পণ্ডিতদের পরিচর্যা জগতে সুখ দায়ক। বার্ধক্য পর্যন্ত শীল(নীতি)পালন সুখকর। শ্রদ্ধায় প্রতিষ্ঠিত হওয়াই সুখদায়ক। প্রজ্ঞালাভই সুখ জনক, পাপ না করাই সুখাবহ।” – গৌতম বুদ্ধ