Hot Posts

6/recent/ticker-posts

Ad Code

যারা ধর্মীয় গ্রন্থ প্রকাশ ও প্রকাশের সহায়তায় করে বিপুলসংখ্যক পুণ্য লাভ হয়।

 

ভগবান বুদ্ধ বলেছেন- যারা ধর্মীয় গ্রন্থ প্রকাশ ও প্রকাশের সহায়তায় করে বিপুলসংখ্যক পুণ্য লাভ হয়। তারা সর্বক্ষেত্রে সুশিক্ষিত হয়ে অনাগত ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞা কীর্তি বিস্তার করতে পারেন। নিম্নে পন্নাস জাতকের কয়েকটি গাথা তুলে আলোকপাত
করছি ---
০১) ত্রিপিটক শাস্ত্রের এক একটি অক্ষর এক একটি বুদ্ধমূর্তির ন্যায়।
০২) ত্রিপিটক প্রতিষ্ঠিত থাকলে ৮৪ হাজার পরিমাণ সম্বুদ্ধও বিদ্যমান থাকবে।
০৩) ভগবান বুদ্ধের বিনয়, সূত্র ও অভিধর্ম এই পরিয়ত্তি ধর্মে যে অক্ষরসমূহ আছে, প্রত্যেকটি অক্ষর এক-একটি বুদ্ধমূর্তি প্রতিষ্ঠার ন্যায় সমফলদায়ক।
০৪) ত্রিপিটক গ্রন্থ লেখক দশবিধ পুণ্যক্রিয়া বস্তু এবং কায়-বাক্য-মন, এই ত্রিবিধ সুচরিত ধর্ম পূর্ণ করেন।
০৫) লোকনাথ বুদ্ধের শাসনে অর্থাৎ সমুদয় ত্রিপিটক গ্রন্থে যতগুলি অক্ষর আছে, উহার প্রত্যেকটি অক্ষর বুদ্ধমূর্তি প্রতিষ্ঠার ন্যায় ফলদায়ক।
০৬) সমগ্র ত্রিপিটকে অক্ষরের পরিমাণ চুরানব্বই লক্ষ চৌষট্টি হাজার (৯৪,৬৪,০০০)।
০৭) যাঁরা ত্রিপিটক শাস্ত্র লিখবেন, তাঁরা যেন মনে করেন, চুরানব্বই লক্ষ চৌষট্টি হাজার বুদ্ধমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
০৮) শাস্তার মূর্তি প্রতিষ্ঠার করার ন্যায় যাঁরা ত্রিপিটকের অক্ষরসমূহ লিখে থাকেন, ত্রিজগতে তাঁরা সর্বাপেক্ষা মনোজ্ঞ দেহধারী ও সূর্যের ন্যায় তেজবান হয়ে থাকেন।
০৯) যাঁরা ত্রিপিটকের অক্ষর লিখান, তাঁরা কোনো সময় নারী, নপুংসক ও উভয় ব্যঞ্জকত্ব প্রাপ্ত হন না। সর্বাঙ্গ পরিপূর্ণ দেহ লাভ করেন।
১০) তাঁদের কোনো প্রকার উপদ্রবে মৃত্যু হয় না। বিষ, অস্ত্র অথবা মন্ত্রশক্তি দ্বারাও মৃত্যু হয় না। শত্রু রাজাগণও হিংসা করেন না, শত্রুর করুণা লাভ করেন।
১১) সুবিশুদ্ধ শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণকুলে জন্মগ্রহণ করেন। কখনো হীন, নীচকুলে জন্মগ্রহণ করেন না।
১২) তাঁরা কখনো মৃত্যুর পর প্রেত লোকে উৎপন্ন হন না; পক্ষাঘাত, মুখ, বধির কিংবা অন্ধ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন না এবং চতুর্বিধ অপায় হতে বিমুক্ত থাকেন।
১৩) যিনি ত্রিপিটকের অক্ষর লিখে থাকেন, তিনি জন্মে জন্মে কখনো মাতৃগর্ভে দুঃখ পান না, ভূমিষ্ঠ হবার সময়েও দুঃখ পান না এবং প্রসবিনী মাতারও কোনো দুঃখ হয় না।
১৪) তাঁরা জন্মে জন্মে সর্বদা সুখেই অভিবর্ধিত হন এবং ধন-সম্পত্তি ও যশঃকীর্তি প্রভৃতি সর্ববিষয়ে তাঁদের অভিবৃদ্ধি হয়।
১৫) তাঁরা পরজন্মে মাতৃ-জঠরে উৎপন্ন হলেও গর্ভমলে লিপ্ত হন না, শ্লেস্মাদিতে অপবিত্র না হয়ে পরিশুদ্ধ বস্ত্রে উজ্জ্বল মণির ন্যায় ভূমিষ্ঠ হন।
১৬) যাঁরা নিজে ত্রিপিটক শাস্ত্র লিখেন কিংবা অপরের দ্বারা লিখে থাকেন, আর যাঁরা ইহার অনুমোদন করেন, তাঁরা ভবিষ্যতে মৈত্রেয় বুদ্ধের প্রজ্ঞাবান শিষ্য হবেন।
১৭) তাঁরা যেই মনোজ্ঞ সুখ কামনা করেন, ভবিষ্যতে সেই সমস্ত মনোজ্ঞ সুখ লাভ করবেন।

জগতে সকল প্রাণী সুখী হউক, দুঃখ থেকে মুক্ত হউক।

Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement