মহামঙ্গল সূত্রের পৃষ্টভূমি হল এরূপ যে, একজন দেবতা জেতবনারামে ভগবান বুদ্ধের সম্মুখে প্রকট হয়ে জিজ্ঞাসা করেছেন-
বহুদেবামনুস্সা চ মঙ্গলানি অচিন্তযুং,
আকাঙ্খামানা সোত্থানং ব্রূহি মঙ্গলমুত্তমং।’
অর্থাৎ বহু দেবতা এবং মনুষ্য কিসে মঙ্গল হয়, এ বিষয়ের উপর বিচার করেছেন। হে শাস্তা! অনুগ্রহ করে আপনি উত্তম মঙ্গল কিসে হয়-তা বর্ণনা করুন।
একজন দেবতার প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে ভগবান বুদ্ধ মঙ্গলদায়ক বিষয় সমূহের দেশনা প্রদান করেছেন, যাকে ‘মহামঙ্গল সূত্র’ বলা হয়। বৌদ্ধ কালে বিবাহাদি মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে এ মহামঙ্গল সূত্রের পাঠ করা হতো, যা বর্তমান সময়ে অপভ্রংশিত হয়ে ভারতবর্ষে কনের গলায় বা হাতে মঙ্গল সূত্র রূপে পরিধান করার প্রথায় পরিবর্তিত হয়েছে।
তাৎপর্য ইহাই যে, বুদ্ধ তথাগতের জ্ঞান দেব-ব্রহ্মার জ্ঞান হতেও উত্তম হয়ে থাকে। বুদ্ধ দেবতাদেরও শঙ্কা-সংশয় নিরসন করে দিতেন ধম্মোপদেশ দানের মাধ্যমে। পালি সাহিত্য ত্রিপিটকে এরকম অনেকানেক উদাহরণ পাওয়া যায়।
সূত্র পিটকের মধ্যম নিকায়ের অন্তর্গত ব্রহ্মনিমন্তিক সূত্র এবং সংযুক্ত নিকায়ের বকব্রহ্মা সূত্রদ্বয় আমাদেরকে এরকমই এক রোচক বিবরণ দিয়ে থাকে, যেখানে ভগবান বুদ্ধ বকব্রহ্মার মিথ্যা দৃষ্টির নিদান করেছেন। বকব্রহ্মার মনে এরকম মিথ্যা বিচার উৎপন্ন হয়েছিল-‘আমি হলাম অমর, আমি হলাম শাশ্বত, আমি যেখানে অবস্থান করছি, ইহাই হল অন্তিম সোপান, এর উপরে নাই…..।’
শ্রাবস্তীর অনাথপিণ্ডিকের জেতবনারামে ধ্যানে উপবেশন রত ভগবানের দিব্য দৃষ্টিতে বকব্রহ্মার মিথ্যা দৃষ্টি বিষয়ে জ্ঞাত হয়েছিলেন। করুণাময় ভগবান বুদ্ধ বকব্রহ্মার মিথ্যা দৃষ্টির নিদানের সঙ্কল্প নিয়ে স্বয়ং ব্রহ্মলোকে প্রকট হয়েছিলেন।
‘ব্রহ্মনিমন্তনিক সূত্র’ তথা ‘বকব্রহ্মা সূত্র’ ভগবান বুদ্ধের সাথে বকব্রহ্মার সংলাপের বিস্তৃত সমাচার নিম্নে বর্ণনা করছি।
ভগবান তথাগত বুদ্ধ শ্রাবস্তীর জেতবনারামে ধ্যানস্থ থাকা অবস্থায় বকব্রহ্মার মনে উৎপন্ন মিথ্যা দৃষ্টি বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন।
বকব্রহ্মা ভাবছিলেন যে-‘এ ব্রহ্মলোক হল নিত্য, ধ্রুব, শাশ্বত, পূর্ণ এবং অবিনাশী। এখানে কেহ জন্ম যেমন নেননা, তেমনি কেহ বৃদ্ধও হননা, কারও মৃত্যুও হয়না, কেহ চ্যুতও হয়না, কেহ দ্বিতীয়বার উৎপন্নও হয়না এবং দুঃখ হতে মুক্তির জন্য এর উপরে দ্বিতীয় কোনো মার্গ বা নিকাশও আর নাই।’
তখন ভগবান বুদ্ধ স্বীয় চিত্ত দ্বারা বকব্রহ্মার মনের বিচারকে জ্ঞাত হয়েছিলেন। যেরকম কোনো শক্তিশালী পুরুষ স্বীয় সঙ্কুচিত বাহুকে প্রসারণ এবং প্রসারিত বাহুকে সঙ্কোচন করতে যে সময় ব্যয় করে থাকে, অনুরূপভাবে বুদ্ধ তথাগতও জেতবন হতে অন্তর্ধান হয়ে হঠাৎ সে ব্রহ্মলোকে প্রকট হয়েছিলেন। বকব্রহ্মা নিজেকে উচ্চতর লোকের স্বামী তথা বুদ্ধকে মনুষ্য লোক হতে আসা মানব বলে মনে করে ব্যক্ত করেছেন-
‘আসুন, মহাশয়, আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। অনেকদিন পর আপনি এখানে আসার কষ্ট করেছেন। এ স্থান হল নিত্য, ধ্রুব, শাশ্বত…..।’
এরূপ বলার পর ভগবান বুদ্ধ বকব্রহ্মাকে বললেন-
‘হে বকব্রহ্মা! আপনি তো অবিদ্যাগ্রস্থ আছেন। যিনি অনিত্যকে নিত্য মান্য করে থাকেন, যিনি অধ্রুবকে ধ্রুব মনে করে থাকেন, যা অশাশ্বত, তাকে শাশ্বত মনে করে থাকেন, যেখানে জন্ম, মৃত্যু এবং চ্যুত হওয়া হল নিশ্চিত, তাকে অচ্যুত, অবিনাশী মনে করেন, কেবল তা নয়, এর চেয়েও আগে নির্বাণের মার্গ থাকার পরেও মনে করে যে, ইহার উপরে আর কোনো মার্গ নাই।’
ভগবান বুদ্ধ এবং বকব্রহ্মার সংলাপে মার হস্তক্ষেপ করতে, বিঘ্নতা সৃষ্টি করতে প্রয়াস করেছে। তাকে উপেক্ষা করে ভগবান বুদ্ধ স্বীয় সংলাপ জারী রেখেছেন-
বুদ্ধ বকব্রহ্মাকে বললেন-‘ব্রহ্মা! আমি আপনার শক্তি, আপনার গতি এবং আপনার প্রকাশের সীমাকে ভালভাবে জানি যে, আপনি কতটুকু শক্তিশালী। আপনার ক্ষমতার সীমা যতদূর পর্যন্ত রয়েছে, তা হল অনিত্য সংসারের পরিধির মধ্যেই। কিন্তু ব্রহ্মা! এক এরকম নির্বাণ ধাতুও রয়েছে, যাকে আপনি তা জানতে ও দেখতেই পারছেননা, কিন্তু আমি ইহাকে জানি এবং এর সাক্ষাৎ দেখতে পাচ্ছি।’
ভগবান দ্বারা এত স্পষ্টভাবে বচন শুনার পরেও বকব্রহ্মার চক্ষু উন্মোচন হয়নি। তিনি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব সিদ্ধ করার প্রয়াস নিম্নোক্তরূপে করতে লাগলেন-
‘হে গৌতম! আমি বৃহত্তর পুণ্য কর্ম সম্পাদনকারী ছিলাম। এখন আমি হলাম সামর্থ্যবান। আমি জন্ম, জরা অবস্থার ঊর্ধে রয়েছি। ইহা হল আমার অন্তিম জন্ম। আমি সংসারের অন্ত পর্যন্ত এসে গিয়েছি। অনেক মন্ত্র জপ করে, বহু সংখ্যক লোকেরা আমাকে স্মরণ করে থাকে।’
ভগবান বুদ্ধ জানালেন-‘হে ব্রহ্মা! যদিও আপনি এখানে স্বীয় দীর্ঘ জীবনকালের কল্পনা করছেন, তবে বাস্তবে ইহা হল অল্প। আমি জানি যে, আপনার শেষ জীবনকাল হল কেবল এক লক্ষ নিযুত কল্প।
বকব্রহ্মা বললেন-‘হে ভগবান! আপনি বলছেন, আমি অসীম দৃষ্টি সম্পন্ন ব্যক্তি, যিনি জন্ম, জরা এবং দুঃখের উপর বিজয় প্রাপ্ত করেছেন। তাহলে আমার অতীত কর্ম, অনুশীলন এবং সদ্গুণ কি ছিল? কৃপা করে আমাকে সেসব বর্ণনা করুন, যাতে আমি বুঝতে পারি।’
বুদ্ধ বলতে লাগলেন-‘‘আপনি পিপাসা এবং গরম হতে ক্লান্ত অনেক লোকদেরকে জল পান করিয়েছেন। এরূপ ছিল আপনার অতীত পুণ্য কর্ম, অনুশীলন এবং সদ্গুণ, যা মনে করো এখনও নিদ্রা হতে সতেজ স্বপ্ন দেখে জাগ্রত হয়ে স্মরণ করার মতো মনে হচ্ছে।’
‘যখন নদীর কিনারে লোকদেরকে অপহরণ করা হয়েছিল, তখন আপনি বন্ধী করা লোকদিগকে মুক্ত করিয়েছিলেন। তা ছিল আপনার অতীতের কুশল কর্ম, অনুশীলন এবং সদ্গুণ। যেগুলি আমি মনে করি এখন এখন স্বপ্ন দেখে জাগ্রত হয়ে স্মরণ করার মতো।’
যখন গঙ্গা নদীতে এক ভয়ঙ্কর নাগ মানব মাংসের লালসায় একটি জাহাজকে ঘিরে ফেলেছিল, তখন আপনি সাহসিকতার সাথে নাগকে বশীভূত করে লোকদেরকে মুক্তি দিয়েছিলেন। ইহা ছিল আপনার অতীতের কর্ম, অনুশীলন এবং সদ্গুণ, যা মনে করুন এখন এখন স্বপ্ন দেখে জাগ্রত হয়ে স্মরণ করার মতো।’
‘সে সময় আমার নাম কপ্পা ছিল। তখন আমার মনে হতো যে, আপনি বুদ্ধিমান এবং ভাল আচরণে নিপুণ ছিলেন। তা আপনার অতীতের কর্ম, অনুশীলন এবং সদ্গুণ ছিল, যা মনে করুন এখন এখন স্বপ্ন দেখে জাগ্রত হয়ে স্মরণ করার মতো।’
এতগুলি কুশল শ্রবণ করার পরও বকব্রহ্মা স্বয়ংকে শ্রেষ্ঠ সিদ্ধ করার আরও এক বিফল প্রয়াস করেছিলেন। তিনি ব্রহ্ম লোকে অন্তর্ধান হয়ে গেলেন এবং বুদ্ধকে বললেন যে, আমাকে খোঁজ করে বের করে দেখান। বুদ্ধ তখনই তাঁকে বের করে দেখালেন।
আবার বুদ্ধ স্বয়ং ব্রহ্মলোকে আড়াল হয়ে গেলেন। বক ব্রহ্মাকে বললেন-‘আমাকে খুঁজে বের করুন।’
বক ব্রহ্মা সমগ্র ব্রহ্মলোক খুঁজে কোথাও বুদ্ধকে পাননি তিনি কোথায় আছেন। সমগ্র ব্রহ্মলোকে কেবল বুদ্ধের বাণী গুঞ্জরণ হচ্ছিল-
‘ভবথংযেব আদীনব দিস্বা ভবং চ বিভবং চ গবেসিনো,
ভবং নাভিবদিং কিঞ্চি, নন্দী চ ন উপাদিযিং।’
অর্থাৎ সমস্ত প্রকারের ভব সমূহের জন্ম-মৃত্যুর চক্রে দোষ সমূহ দেখে এবং ভব-বিভবের গবেষণা করে নির্বাণের খোঁজে আমি লৌকিক অথবা অলৌকিক কোনো জীবনে তৃষ্ণা রাখি নাই। আসক্তিও রাখি নাই।’
এরূপ অদ্ভূত দেশনা শ্রবণ করে বকব্রহ্মা, মার এবং সেখানে উপস্থিত সমগ্র ব্রহ্মা পরিষদ বিস্মিত হয়েছিলেন এবং তাঁদের অহঙ্কার চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছিল।
অন্তত: বকব্রহ্মা বিনীত স্বরে বুদ্ধ তথাগতকে বলেছিলেন-
‘আপনি আমার জীবন অবধি নিশ্চিতই অবগত আছেন। আপনি আমার জীবনের অন্যান্য বিষয়ও হয়তো জানবেন। আপনি হলেন সত্যিকার অর্থেই বুদ্ধ। আপনার এরূপ তেজস্বী মহিমা ব্রহ্ম জগতকেও প্রকাশিত করে দিয়েছে।’
বাস্তবে ব্রহ্মা হল এক উচ্চতর আধ্যাত্মিক অবস্থার নাম। বৌদ্ধ অর্থে, মৈত্রী, করুণা, মুদিতা এবং উপেক্ষা-এ চার ব্রহ্মবিহারের উচ্চতম সাধনায় সিদ্ধ ব্যক্তিকে ব্রহ্মা বলা হয়। এ চার ব্রহ্মবিহারের প্রতীকরূপে ব্রহ্মার চার মুখরূপে শিল্প চিত্রণ করা হয়েছে। সব্রহ্মক সূত্র’তে তো ভগবান মাতা-পিতাকেই ব্রহ্মা বলে অভিহিত করেছেন, যাঁরা নিজেদের সন্তানদের জন্য সর্বদা মৈত্রী, করুণা, মুদিতা এবং উপেক্ষা দ্বারা আপ্নাবিত থাকেন।
ব্রহ্মা একজন নন। ব্রহ্মলোকে পৃথক পৃথক স্তরে পৃথক-পৃথক স্তরের ব্রহ্মা রয়েছেন। পালি সাহিত্যে সহম্পতি মহাব্রহ্মার কথা উল্লেখ রয়েছে।
সম্যক সম্বোধি লাভের পর বুদ্ধ তথাগত মৌন থাকার বিচার করেছিলেন। কেননা, তিনি এরূপ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, এরকম বিরজ, নির্মল, সুক্ষ্ম জ্ঞান সমৃদ্ধ ধম্ম সাধারণের পক্ষে বুঝা কঠিন। যদি প্রয়াসও করা যায়, তাহলেও লোকদের পক্ষে বুঝা সহজ নয়। এজন্য উত্তম হবে মৌনতা ধারণ করে থাকা। বুদ্ধের এরূপ বিচার দ্বারা দেবমণ্ডল কম্পিত হয়েছিল-যদি বুদ্ধ মৌনতা ধারণ করে নেন, তাহলে তো সংসারকে দুঃখ হতে বের করার মার্গ আর কে প্রদর্শন করবেন!
সহম্পতি মহাব্রহ্মাই বুদ্ধকে ধম্মোপদেশ প্রদানের জন্য রাজী করিয়েছিলেন। এরূপ খুবই মার্মিক প্রসঙ্গকে বিভিন্ন লেখকেরা অতীব সংবেদনশীলতা সহকারে লেখনীর মাধ্যমে তাঁদের গ্রন্থ সমূহে উপস্থাপন করেছেন। কালান্তরে প্রতিক্রান্তির পর ব্রহ্মাকেই সবচেয়ে দোষী দেবতা মান্যতা দিয়ে তাঁকে অপূজনীয় দেবতার শ্রেণীতে স্থান প্রদান করা হয়েছে। ভারতের রাজস্থানের পুস্কর ব্যতীত অন্য কোথাও ব্রহ্মার স্বতন্ত্র কোনো মন্দির বিদ্যমান নাই। কেবল তা নয়, বরং পৌরাণিক আখ্যান সমূহে ব্রহ্মার বিকৃত চিত্রণ করা হয়েছে। প্রতিক্রান্তির সময়ে বৌদ্ধ প্রতীক সমূহ তথা পরম্পরা সমূহের হয়তো অপহরণ হয়েছে অথবা সেগুলির বিকৃতকরণ করা হয়েছে। বৌদ্ধ গ্রন্থ সমূহে দেবতা, দেবেন্দ্র, ব্রহ্মা, ব্রাহ্মণ, পণ্ডিত, আর্য ইত্যাদি অনেকানেক শব্দ এরকম যে, যেগুলি প্রতিক্রান্তির সময়ে হয়তো বিকৃত হয়েছে অথবা অপহৃত হয়েছে। এরূপ দৃষ্টি রেখে বৌদ্ধ গ্রন্থ সমূহের অধ্যয়ন করলে, তখন মন ভ্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।
আমাদের আলোচ্য প্রসঙ্গে বুদ্ধের সাথে বকব্রহ্মার সংলাপ রয়েছে। ‘বকবাদ’ শব্দের ব্যূৎপত্তি বকব্রহ্মার মিথ্যা দৃষ্টির নিবারণ করে থাকে। মিথ্যা দৃষ্টি কি? বকব্রহ্মা নিজেকে এবং ব্রহ্ম লোককে অজর, অমর, অবিনাশী, শাশ্বত মনে করতেন। অনিত্যকে নিত্য মনে করতেন। ইহা কোনো আশ্চর্যের বিষয় নয় যে, যখন সত্তর-আশি বছরের অধিক জীবন সম্পন্ন মানব নিজেকে অজর, অমর মনে করার মতো ব্যবহার দেখিয়ে থাকেন, তখন লক্ষ লক্ষ বছরের জীবন সম্পন্ন বকব্রহ্মা নিজেকে অজর, অমর, অবিনাশী মনে করলে তখন আশ্চর্য হওয়ার কিছু না। বুদ্ধ তাঁদের এরকম মিথ্যা দৃষ্টির অপনোদন করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গকে জযমঙ্গল অট্ঠগাথার প্রস্তুত অষ্টম গাথায় এরকম ব্যক্ত করা হয়েছে-
‘দুগ্গাহদৃট্ঠি ভূজগেন সুদট্ঠ হত্থং,
ব্রহ্মং বিসুদ্ধি জুতিমিদ্ধি বকাভিধানং,
ঞাণগদেন বিধিনা জিতবা মুনিন্দো,
তং তেজসা ভবতু তে জযমঙ্গলানি।’
‘দুগ্গাহদিট্ঠি ভূজগেন সুদট্ঠহত্থং’- মিথ্যা দৃষ্টি রূপী সর্প দ্বারা যার হাত ভীষণভাবে ডংশন করা হয়েছিল। ‘
‘ব্রহ্মং বিসুদ্ধিজুতিমিদ্ধিবকাভিধানং’-যিনি অতীব শুদ্ধ, কান্তিময় ও ঋদ্ধিমান এবং ঋদ্ধি শক্তি সমুহের দ্বারা সম্পন্ন বক নামক ব্রহ্মকে।
ঞাণগদেন বিধিনা জিতবা মুনিন্দো’-তাঁর জ্ঞানরূপী পরম ঔষধি বিধির দ্বারা মনীন্দ্র ভগবান বুদ্ধ বিজয় হয়েছিলেন। অর্থাৎ ব্রহ্মার মিথ্যা ধারণাকে নষ্ট করে দিয়েছেন।
‘তং তেজসা ভবতু তে জযমঙ্গলানি’-সে বুদ্ধের তেজ এবং প্রতাপের প্রভাবে আপনার/ আপনাদের জয় এবং মঙ্গল হোক।
.jpg)
0 Comments