Hot Posts

6/recent/ticker-posts

বুদ্ধ জয়মঙ্গলের সপ্তম গাথা...7

‘ইতিপি সো ভগবা অরহং সম্মাসম্বুদ্ধো………’ বুদ্ধ বন্দনায় আমরা ইহাও বলে থাকি যে, ‘সত্থা দেব মনুস্সানং বুদ্ধো ভগবাতি….।’ সে ভগবান হলেন দেব এবং মনুষ্যগণের শাস্তা, শিক্ষক এবং উপদেশক।

ভগবান বুদ্ধ কেবল মনুষ্যদেরকেই নয়, কেবল অপার্থিব সত্তাগণেরও উপদেশ দেন না, বরং অপার্থিব লোক সমূহে যাত্রাও করে থাকেন।
ভগবানের জন্মের সপ্তম দিনেই তাঁর মাতা মহামায়া দেবী পরপারে যাত্রা করেছিলেন। স্বীয় মাতাকে ধম্মোপদেশের জন্য ভগবান তথাগত তাবতিংস দেবলোকে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ভগবানের এক বর্ষাবাস দেবলোকে যাপন করেছিলেন। মাতা মহামায়াকে ধম্মোপদেশ দেওয়ার জন্য যে স্থান হতে তিনি দেবলোকে গমণ করেছিলেন, শ্রাবস্তীতে সে স্থানেও একটি স্তূপের ভগ্নাবশেষ রয়েছে। ইহাকে কোড়িয়াঝার বলা হয়। সড়কের একদিকে রয়েছে মহা উপাসিকা বিশাখা দানকৃত পূর্বারাম এবং অন্য দিকে রয়েছে কোড়িয়াঝার।
তথায় বর্ষাবাস সমাপন করে ভগবান যে স্থানে প্রত্যাবর্তন করে ধরাবতরণ করেছেন, তাকে সাংকিশ্যা বলা হয়।
এ সমস্ত বিবরণ বৌদ্ধ সাহিত্য ত্রিপিটকে সবিস্তারে অনেক স্থানে পাওয়া যায়।
এরকম এক প্রসঙ্গ বিশুদ্ধি মার্গের ইদ্ধিবিধ নির্দেশ অধ্যায়ে রয়েছে। বিবরণ ইহাই যে, ভগবান বুদ্ধ পাঁচ শ’ অরহত ভিক্ষু সঙ্ঘের সাথে তাবতিংস দেবলোকে গমণ করেছিলেন।
বিশুদ্ধিমার্গের বর্ণনা হল নিম্নরূপ-
——————————————
একসময় ভগবান বুদ্ধ পাঁচ শ’ অরহত ভিক্ষুদেরকে নিয়ে আকাশ মার্গে তাবতিংস দেবলোকে যাচ্ছিলেন। সে সময় মহাশক্তিশালী নন্দোপনন্দ নাগরাজ সুমেরু পর্বতের পাশে স্বীয় মণিকোটি অর্থাৎ রত্ন খচিত মহলে অপ্সরাদের সাথে ভোগ-বিলাস এবং মদ্যপানে মগ্ন ছিল। যখন তথাগত বুদ্ধ এবং ভিক্ষু সঙ্ঘ মণিকোটার উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর ছায়া এবং ভিক্ষু সঙ্ঘের পায়ের উড়ন্ত সুক্ষ্ম ধূলা-বালি নাগরাজের উপর পড়েছিল।
‘তেন খো পন সমযেন নন্দোপনন্দো নাগরাজা…. সুধম্মং দেবসভং গচ্ছন্তানং ভিক্খুসনং পাদধূলি অচ্ছুতভাবং দিস্বা কুজ্ঝি।’
সে সময় নন্দোপনন্দ নাগরাজ ক্রুদ্ধ হয়ে চিন্তা করল-এ মুণ্ডিতমস্তক শ্রমণ আমার ভবনের উপর হতে বার বার দেবলোকে যাতায়াত করে থাকেন এবং তাঁদের পায়ের ধূলা আমার মস্তকের উপর পড়ে থাকে। এখন আমি তাঁদেরকে এখান হতে যেতেই দেবো না।
তখন নন্দোপনন্দ নাগরাজ মহামেরু পর্বতকে সাতবার স্বীয় শরীরের ঘেরায় পেছিয়ে নিল এবং উপর হতে ফণা দ্বারা তাবতিংস দেবলোককে ঢেকে সবকিছু অন্ধকারময় করে দিয়েছিল।
আকাশ মার্গে হঠাৎ ঘোর অন্ধকার দেখে আয়ুস্মান রাষ্ট্রপাল ভগবান বুদ্ধের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন-
‘ভন্তে! পূর্বে যখন আমরা এখান হতে অতিক্রম করতাম, তখন সুমেরু পর্বত, দেবসভা এবং বৈজয়ন্ত প্রাসাদ প্রভৃতি দেখতাম। আজ এরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন হল কিভাবে?’
ভগবান বুদ্ধ বললেন যে, ইহা হয়েছে নন্দোপনন্দ নাগরাজের ক্রোধের কারণে। তখন আয়ুস্মান রাষ্ট্রপাল, আয়ুস্মান ভদ্রিয় এবং আয়ুস্মান রাহুল কর্তৃক ক্রমশ: বলা হয়েছে-
‘ভন্তে! আমরা এ নাগরাজকে দমন করবো, আমাদেরকে আজ্ঞা প্রদান করুন।’ কিন্তু বুদ্ধ তাঁদেরকে অনুমতি দেননি। কেননা, তিনি জানতেন যে, নাগরাজের বিষ এবং ক্রোধ হল অতীব ভয়ঙ্কর।
ভগবান বুদ্ধ সে সকল ভিক্ষুদেরকে ক্রমশ: মানা করে দিয়েছিলেন। অন্তিমে আয়ুস্মান ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন স্থবির তথাগতের সামনে গিয়ে বললেন-
‘ভন্তে! আমি এ নাগরাজকে দমন করবো।’
তখন ভগবান বুদ্ধ তাঁর ক্ষমতাকে জেনে আজ্ঞা প্রদান করলেন-‘মোগ্গল্লায়ন! যাও, ইহাকে দমন করো। তাঁকে অনুমতি দেওয়া হল।’
অনুমতি পাওয়া মাত্রই ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন স্বীয় ঋদ্ধি শক্তির দ্বারা নন্দোপনন্দ হতেও দ্বিগুণ বিশাল এবং ভয়ঙ্কর নাগরাজের রূপ ধারণ করেছিলেন। তিনি নন্দোপনন্দকে সুমেরু পর্বতের সাথেই চৌদ্দ বার স্বীয় শরীর দ্বারা পেছিয়ে রেখেছিল এবং সুমেরু পর্বতের সাথে তাকে শক্ত করে বেঁধে রেখেছিল।
নাগরাজ যখন মহামেরু এবং স্বয়ংকে এভাবে আবদ্ধ হতে দেখেছে, তখন সে ক্রোধান্বিত হয়ে ভীষণভাবে বিষবাষ্প ছেড়ে দিয়েছিল।
নাগরাজ ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়নকে জ্বালানোর জন্য ভয়ঙ্কর অগ্নিময় ধূঁয়া ছেড়ে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। মহামোগ্গল্লায়ন স্থবির স্বীয় ঋদ্ধি দ্বারা এর চেয়েও অধিক তীব্র অগ্নিময় ধূঁয়ায় আবৃত করা নাগরাজকেই ত্রস্ত করে দিয়েছিল।
যখন ধূঁয়া অসহ্য হল, তখন নাগরাজ মুখ থেকে ভয়ঙ্কর আগুনের মতো স্ফুলিঙ্গ বের করল। ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন থের তেজধাতু যুক্ত অগ্নিকষিণ ধ্যানে সমাহিত হয়ে এর চেয়েও প্রচণ্ড আগুন প্রকট করেছিলেন। ভদন্ত মোগ্গল্লায়নের অগ্নি হতে নাগরাজের ভীষণ পীড়া হচ্ছিল। কিন্তু মোগ্গল্লায়নের অরহন্ত শরীরকে নাগরাজের অগ্নি স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি। যখন নাগরাজ দেখল যে, বাহিরের শক্তি কাজ করছেনা, তখন সে মোগ্গল্লায়নের উপর সরাসরি প্রহার করতে চেয়েছিল।
তখন ভদন্ত মোগ্গল্লায়ন নিজের শরীরকে অতীব সুক্ষ্ম অণুর রূপ ধারণ করে নিলেন। তিনি নাগরাজের নাসিকা ছিদ্রের রাস্তায় প্রবেশ করে তার শরীরের ভিতর ডুকে পড়লেন।
ভদন্ত মোগ্গল্লায়ন নাগরাজের ডান নাসিকা ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে বাম ছিদ্র দিয়ে বের হলেন। আবার তিনি নাগরাজের কুচ্ছি অর্থাৎ পেটের ভিতর গিয়ে চঙ্ক্রমণ করতে লাগলেন।
নাগরাজ এরূপ আন্তরিক বেধন হতে কাতরাতে লাগল। সে ভাবল যে, যখন ভিক্ষু বের হবেন, তখন আমি তাঁর সর্বাঙ্গ দাঁতে চিবিয়ে চূর্ণ করে দেবো। ভদন্ত মোগ্গল্লায়ন তার মনের বিচারকে জানতে পারলেন। তিনি পেট হতে বের হলেন এবং নাগরাজের চোখের সামনে বাতাসে দাঁড়িয়ে রইলেন। নাগরাজ স্বীয় মুখ হতে তাঁর উপর ভয়ানক বিষ বায়ু ছাড়ল। কিন্তু ভদন্ত মোগ্গল্লায়ন তৎকাল চতুর্থ ধ্যানে উপেক্ষা ভাবনাতেই বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন।
এখন নাগরাজ নন্দোপনন্দের সমস্ত অহঙ্কার, শক্তি এবং ক্রোধ সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে গেল। সে খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল এবং ভয়ভীত হয়ে পড়ল। ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন তখন স্বীয় নাগরূপ ত্যাগ করলেন এবং সাধারণ ভিক্ষু বেশে এসে তার সম্মুখে দাঁড়ালেন।
‘নাগরাজো ভীতো অঞ্জলিং পগ্গহেত্বা আহ-
‘সরণং গচ্ছামি তং ভন্তে সমণা’তি।’
ভয়ভীত নাগরাজ করজোরে কম্পমান হয়ে বলল-
‘হে শ্রমণ! আমি আপনার শরণে গমণ করছি। আমাকে ক্ষমা করুন।’
তখন ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন বললেন-
‘নন্দোপনন্দ! আমার শরণে নয়। চবরং চলো জগদ্গুরু তথাগত বুদ্ধের শরণে যাই।’
ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন সে পরাজিত এবং বিনীত হওয়া নাগরাজকে নিয়ে আকাশ মার্গে গিয়ে সরাসরি ভগবান বুদ্ধের নিকট পৌঁছলেন, যেখানে বুদ্ধ এবং ভিক্ষু সঙ্ঘ বিশ্রাম রত ছিলেন।
নাগরাজ নন্দোপনন্দ ভগবান বুদ্ধের চরণদ্বয়ে লুটিয়ে পড়ে বন্দনা করল এবং বলল-
‘ভন্তে! আজ পর্যন্ত আমি অন্ধকার এবং অজ্ঞানে ছিলাম। ভদন্ত মহামোগ্গল্লায়ন আমার মান-অহঙ্কার সব মর্দন করে আমাকে সঠিক মার্গ দেখিয়েছেন। আমি আজ হতে বুদ্ধ, ধম্ম এবং সঙ্ঘের শরণ গ্রহণ করছি।
তথাগত বুদ্ধ তাকে ধম্মোপদেশ দিলেন এবং পঞ্চশীলে প্রতিষ্ঠিত করলেন। এভাবে এক অত্যন্ত ক্রোধী এবং বিষাক্ত প্রাণী নাগ শান্ত উপাসক হয়ে গিয়েছিল।
এরূপ সম্পূর্ণ ঘটনাক্রমকে প্রতীকাত্মকরূপে দেখলে তখন অলৌকিকের মত দেখার এ সম্পূর্ণ ঘটনা হল আমাদের জীবনের লৌকিক এবং আধ্যাত্মিক জীবনেরই চিত্রণ।
আমাদের মেরুদণ্ডই হল সুমেরু। তাতেই রয়েছে সমস্ত শক্তির বাস। ইহাই হল নাগরাজ। বৌদ্ধ তন্ত্রে তাকেই কুণ্ডলিনী, সর্পরাজ, সর্পিনী, নাগরাজ ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা পেছিয়ে উপর হতে নীচে পর্যন্ত ব্যাপ্ত রয়েছে। তা বশে আনতে পারলে তখন আমরা উপরে চড়ে যেতে পারব। বশে আনতে না পারলে নীচে পড়ে থাকবো। উপরে চড়তে গেলে তখন অনেক ঋদ্ধি-সিদ্ধির প্রাপ্তিও অধিগত হয়ে যায়। ইহাই হল প্রতীকরূপে মহামোগ্গল্লায়ন। ইহা হল প্রতিদিনের চর্যা। সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক যাত্রা হল নীচে হতে উপরের দিকে। এরূপে মেরুদণ্ডে যে নাগরাজ রয়েছে-তাতে ভোগ-বিলাস, কাম, ক্রোধ, অহঙ্কার, মদ, মোহ সবকিছু রয়েছে। এরূপ কায়াতেই রয়েছে বুদ্ধত্ব। এ কায়াতেই আমাদের সমস্ত প্রসুপ্ত ঋদ্ধি, সিদ্ধি সমূহ রয়েছে, যা হল মহামোগ্গল্লায়নের প্রতীক। ধ্যান-সাধনা, বিদর্শন অন্তর্গমণের যাত্রা হল একটি সতত যুদ্ধ। একজন আধ্যাত্মিক সাধক-সাধিকা প্রতিদিন স্বীয় অভ্যন্তরের নাগরাজের সাথে যুদ্ধ করে থাকে। বুদ্ধ, ধম্ম এবং সঙ্ঘের উপর অখণ্ড শ্রদ্ধা এবং অটুট বিশ্বাস থাকলে তখন বিগড়ে যাওয়া নাগরাজের অবরোধক শক্তি সমূহ সহায়ক শক্তিতে পরিবর্তিত হয়। বুদ্ধের স্বীয় ধম্মবলের জন্য হওয়া সঙ্ঘের সাথেই তো তুষিত দেবলোকে যাত্রায় ছিলেন! বৌদ্ধ নিকায় সমূহ বজ্রযানে মেরুদণ্ডের নীচ হতে উপরে ক্রমিক কেন্দ্রগুলিকেই মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুরক, হৃদয়, বিশুদ্ধ, আজ্ঞা এবং সহস্ত্রাসার চক্র বলা হয়েছে। এ সাত চক্রের জাগরণকেই ধম্মচক্র প্রবর্তন বলা হয়েছে। এ সাত চক্রকে নাগরাজ সাত পাকে ঘিরে থেকেছিল। মূলাধার হল ধরা, সহস্ত্রাসার হল তুষিত লোক। উপরের যাত্রায় অবরোধক শক্তি সমূহকে সহায়ক করে নেওয়া, ইহাই হল উপায়কুশল। মহামোগ্গল্লায়নের শাব্দিক অর্থ হল মুদিতা হতে উৎপন্ন। রাগহীন, দ্বেষহীন, ঈর্ষাহীন, অহঙ্কারহীন, মহত্বাকাঙ্ক্ষার কেবল মুদিতা ব্রহ্ম বিহারের সাধনায় লেগে থেকে সাহসের সাথে এগিয়ে চলা, সাধনা করা। বিজয় হয়ে গেলে তখন অহঙ্কারী না হয়ে লঘুরূপ ধারণ করে বিনম্রও হতে হয়। বিজয়ের কৃতিত্ব স্বয়ং না নিয়ে, বরং ভগবান বুদ্ধের চরণেই অর্পণ করতে হবে। আপনি বিনম্র হলে তখন নাগরাজও স্বীয় সমস্ত শক্তির সাথে বিনীত হয়ে যায়। সমর্পণ করে থাকে। তা অবরোধক না হয়ে সহায়ক হয়ে থাকে।
যে অগ্নি দ্বারা পুড়ে যায়, তাতেই খাবারও পক্ক হয়। যে চাকু দ্বারা গর্দন কাটা হয়, সে চাকু দ্বারা সব্জিও কাটা হয়। তারপরেও নিজের শুকনা পাতা সমূহকে নিজের শিকড়ের জন্য সার বানাতে হবে। স্বীয় অনুশোচনা, উদাসীনতা, লজ্জা, অতীতকে নিজের শিকড়ের সার তৈরী করুন। জীবনে দুর্গন্ধ লুপ্ত হয়ে যাবে। পুনরায় ফুল প্রস্ফুটিত হবে।
এরূপ মহান আধ্যাত্মিক বিজয়কে ‘জযমঙ্গল অট্ঠগাথা’ সপ্তম গাথায় ব্যক্ত করা হয়েছে, যাকে আজও বৌদ্ধ জগত সুরক্ষা করেছে। পরিত্রাণ কামনায় পাঠ করা হয়-
‘নন্দোপনন্দ-ভূজগং বিবুধং মহিদ্ধিং,
পুত্তেন থের ভূজগেন দমাপযন্তো,
ইদ্ধুপদেস বিধিনা জিতবা মুনিন্দো,
তং তেজসা ভবতু তে জযমঙ্গলানি।’
মহাজ্ঞানী এবং পরম ঋদ্ধিমান নন্দোপনন্দ নাগরাজকে, স্বীয় পুত্রবৎ শিষ্য অর্থাৎ মানস-পুত্র-‘পুত্তেন থের’ অর্থাৎ শিষ্য মহামোগ্গল্লায়ন স্থবিরের মাধ্যমে ঋদ্ধি-উপদেশের বিধি দ্বারা যিনি বশে এনেছিলেন, সে মুনীন্দ্র বুদ্ধের প্রতাপ দ্বারা আপনার জয় এবং মঙ্গল হোক।

Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement