বৌদ্ধ সমাজে বিচরণ করলে নান্দনিক বেশ কিছু বিহার চোখে পড়ে । এর মধ্যে আবার কয়েকটি সুরম্য বিশাল আকৃতির কাঠামোও চোখে পড়ার মত। এক কথায় স্বীকার করতে হয় ধর্ম চর্চা, প্রচার, রক্ষার জন্য অবশ্যই বিহার, ভাবনা কেন্দ্র, গবেষণা কেন্দ্র প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম কিন্তু সেটা হতে হবে গঠনমূলক চিন্তা ধারা ও ভবিষ্যতের জন্য ফলপ্রসূ। বর্তমান সময়ে বেশ কিছু মানুষের টাকা পয়সা হওয়ায় দান কার্য সম্পাদনের প্রবনতাও বেশি, এটা খুবই সুখের এবং ইতিবাচক। আমরা যদি এই ইতিবাচক দিকটাকে সুন্দর পরিকল্পনা ও গঠন মূলক চিন্তা ধারার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি তাহলে প্রকৃত ধর্ম প্রচার প্রসার বহু গুণ ত্বরান্বিত হবে।
বর্তমানে বলিষ্ঠ ও নির্বাণ লাভের চেতনার চাইতে নাম যশ খ্যাতি বাড়ানোর জন্য দান করছে হুমড়ি খেয়ে আর অন্য দিকে বড় বড় দালান, সাজসজ্জ্বা, নান্দনিক রূপ দিচ্ছে কোন প্রকার পরিকল্পনা ছাড়া, যেটা আমাদের একসময় বড় সমস্যা হয়ে দাড়াঁবে।
এবার চলুন কিভাবে মানুষের শ্রদ্ধা প্রদত্ত দানকে সুন্দর ও গঠন মূলক চিন্তা চেতনা দ্বারা এগিয়ে নিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কিছুর দ্বার উম্মোচিত করতে পারি।

একটা জায়গায় ধর্ম বেশিদিন টিকে থাকে তার কারণ সে জায়গার মানুষ কতটুকু স্বশিক্ষিত, ন্যায়পরায়তা, ধর্মপরায়নতা, মোলিক ধর্ম বিষয়ে কত টুকু জ্ঞান আছে, ধর্ম চর্চা তথা বেশি বেশি বিদর্শন ভাবনা করছে তার উপর । এক কথায় পরিয়ত্তি (শিক্ষা) , পটিপত্তি (চর্চা), পটিবেধ (প্রজ্ঞা লাভ) কি পরিমান আছে বা হচ্ছে । বর্তমানে বৌদ্ধ প্রতিরূপ দেশগুলো দেখে অনুমেয়। ।
একটা দেশে জনসংখ্যা বিচার করতে গেলে ধর্ম দিক থেকে জনসংখ্যাকে দেখা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বৌদ্ধদের জনসংখ্যা তৃতীয় স্থানে যা ০.৬১-০.৬২ % এর মধ্যে । সংখ্যায় নগন্য হলেও আমরা আমাদের কিছু সক্রিয়তা, কাজকর্ম দিয়ে বিশ্বে প্রমান দিতে পারি যে কিছু বৌদ্ধ বর্তমানে বাংলাদেশ নামক দেশে বসাবাস করছে । পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যেখানে তারা সংখ্যা অনেক কম কিন্তু তারা তাদের নানা ধরনের এক্টিভিটিস দিয়ে জানান দিচ্ছে যে তারা পাকাপোক্ত একটি জাতিসত্ত্বা এবং তাদের ভিত অনেক মজবুত। সে জন্য আমাদের দরকার একটি বিশ্ব মানের এই বুডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয় । যেমন ১০০০/১১০০ বছর আগেও এই বঙ্গ দেশ এমনকি চট্টগ্রামে আর্ন্তজাতিক মানের বিদ্যাপীঠ ছিল। এরপর দরকার আর্ন্তজাতিক মানের অভিধর্ম গবেষনা বা বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, যেখানে বুদ্ধের ধর্ম ও অভিধর্ম নিয়ে চুল ছেড়া বিশ্লেষন হবে । কেননা বর্তমানে আমাদের দেশে যে ধর্মের জোয়ার হচ্ছে বলে মনে করি সেটা আসলে একটি রঙ্গিন খোলস। এখানে বেশির ভাগ বৌদ্ধরা ভিক্ষু হোক গৃহী হোক মূল ধর্ম থেকে এখনো অনেক দূরে অবস্থান করছে। এটা মানতে না চাইলেও কিছু করার নেই । কারণ উচিত কথা বেশির ভাগেই মানতে চায় না। তাহলে প্রচুর গবেষণা মূলক প্রতিষ্ঠানের কোন বিকল্প নেই । এরপর দরকার উন্নত মানের হাসপাতাল যেখানে বৌদ্ধদের পাশাপাশি অন্যরাও চিকিৎসা সেবা নিতে পারে এবং সেই হাসপাতালের পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা সকল কিছু হবে রোগীদের অনুকূলে । সেবার মান হবে উন্নত কিন্তু বিনিময় মূল্য সীমিত। তার জন্য দেশিয় এবং আন্তর্জাতিক তহবিল হতে পারে সুন্দর ও গঠন মূলক নীতির মাধ্যমে । এগুলোকে নিয়ে আগাতে পারলে তবেই একটি জাতি তার ভিত মজবুত করে দীর্ঘ সময় ঠিকে থাকতে পারে। 

✍️ বাবলু মুৎসুদ্দী
=====================
বৌদ্ধ সমাজে বিচরণ করলে নান্দনিক বেশ কিছু বিহার চোখে পড়ে । এর মধ্যে আবার কয়েকটি সুরম্য বিশাল আকৃতির কাঠামোও চোখে পড়ার মত। এক কথায় স্বীকার করতে হয় ধর্ম চর্চা, প্রচার, রক্ষার জন্য অবশ্যই বিহার, ভাবনা কেন্দ্র, গবেষণা কেন্দ্র প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম কিন্তু সেটা হতে হবে গঠনমূলক চিন্তা ধারা ও ভবিষ্যতের জন্য ফলপ্রসূ। বর্তমান সময়ে বেশ কিছু মানুষের টাকা পয়সা হওয়ায় দান কার্য সম্পাদনের প্রবনতাও বেশি, এটা খুবই সুখের এবং ইতিবাচক। আমরা যদি এই ইতিবাচক দিকটাকে সুন্দর পরিকল্পনা ও গঠন মূলক চিন্তা ধারার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি তাহলে প্রকৃত ধর্ম প্রচার প্রসার বহু গুণ ত্বরান্বিত হবে।
বর্তমানে বলিষ্ঠ ও নির্বাণ লাভের চেতনার চাইতে নাম যশ খ্যাতি বাড়ানোর জন্য দান করছে হুমড়ি খেয়ে আর অন্য দিকে বড় বড় দালান, সাজসজ্জ্বা, নান্দনিক রূপ দিচ্ছে কোন প্রকার পরিকল্পনা ছাড়া, যেটা আমাদের একসময় বড় সমস্যা হয়ে দাড়াঁবে।
এবার চলুন কিভাবে মানুষের শ্রদ্ধা প্রদত্ত দানকে সুন্দর ও গঠন মূলক চিন্তা চেতনা দ্বারা এগিয়ে নিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কিছুর দ্বার উম্মোচিত করতে পারি।

একটা জায়গায় ধর্ম বেশিদিন টিকে থাকে তার কারণ সে জায়গার মানুষ কতটুকু স্বশিক্ষিত, ন্যায়পরায়তা, ধর্মপরায়নতা, মোলিক ধর্ম বিষয়ে কত টুকু জ্ঞান আছে, ধর্ম চর্চা তথা বেশি বেশি বিদর্শন ভাবনা করছে তার উপর । এক কথায় পরিয়ত্তি (শিক্ষা) , পটিপত্তি (চর্চা), পটিবেধ (প্রজ্ঞা লাভ) কি পরিমান আছে বা হচ্ছে । বর্তমানে বৌদ্ধ প্রতিরূপ দেশগুলো দেখে অনুমেয়। ।
একটা দেশে জনসংখ্যা বিচার করতে গেলে ধর্ম দিক থেকে জনসংখ্যাকে দেখা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বৌদ্ধদের জনসংখ্যা তৃতীয় স্থানে যা ০.৬১-০.৬২ % এর মধ্যে । সংখ্যায় নগন্য হলেও আমরা আমাদের কিছু সক্রিয়তা, কাজকর্ম দিয়ে বিশ্বে প্রমান দিতে পারি যে কিছু বৌদ্ধ বর্তমানে বাংলাদেশ নামক দেশে বসাবাস করছে । পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যেখানে তারা সংখ্যা অনেক কম কিন্তু তারা তাদের নানা ধরনের এক্টিভিটিস দিয়ে জানান দিচ্ছে যে তারা পাকাপোক্ত একটি জাতিসত্ত্বা এবং তাদের ভিত অনেক মজবুত। সে জন্য আমাদের দরকার একটি বিশ্ব মানের এই বুডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয় । যেমন ১০০০/১১০০ বছর আগেও এই বঙ্গ দেশ এমনকি চট্টগ্রামে আর্ন্তজাতিক মানের বিদ্যাপীঠ ছিল। এরপর দরকার আর্ন্তজাতিক মানের অভিধর্ম গবেষনা বা বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, যেখানে বুদ্ধের ধর্ম ও অভিধর্ম নিয়ে চুল ছেড়া বিশ্লেষন হবে । কেননা বর্তমানে আমাদের দেশে যে ধর্মের জোয়ার হচ্ছে বলে মনে করি সেটা আসলে একটি রঙ্গিন খোলস। এখানে বেশির ভাগ বৌদ্ধরা ভিক্ষু হোক গৃহী হোক মূল ধর্ম থেকে এখনো অনেক দূরে অবস্থান করছে। এটা মানতে না চাইলেও কিছু করার নেই । কারণ উচিত কথা বেশির ভাগেই মানতে চায় না। তাহলে প্রচুর গবেষণা মূলক প্রতিষ্ঠানের কোন বিকল্প নেই । এরপর দরকার উন্নত মানের হাসপাতাল যেখানে বৌদ্ধদের পাশাপাশি অন্যরাও চিকিৎসা সেবা নিতে পারে এবং সেই হাসপাতালের পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা সকল কিছু হবে রোগীদের অনুকূলে । সেবার মান হবে উন্নত কিন্তু বিনিময় মূল্য সীমিত। তার জন্য দেশিয় এবং আন্তর্জাতিক তহবিল হতে পারে সুন্দর ও গঠন মূলক নীতির মাধ্যমে । এগুলোকে নিয়ে আগাতে পারলে তবেই একটি জাতি তার ভিত মজবুত করে দীর্ঘ সময় ঠিকে থাকতে পারে।